ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর আফটারশক, চলছে উদ্ধার অভিযান

ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরস অঞ্চলে ৭.৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানার পর ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের উদ্ধারে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। এর মধ্যে নতুন করে আফটারশকের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

আরিফুল ইসলামরিপোর্টার
Published
15 Aug 2026, 19:02
Updated
15 Aug 2026, 19:02
Reading time
2 min
ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর আফটারশক, চলছে উদ্ধার অভিযান
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • ফ্লোরস অঞ্চলে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।
  • আফটারশকের কারণে নতুন করে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির শঙ্কা বাড়ছে।
  • উদ্ধারকারী দলগুলো ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে জীবিতদের উদ্ধারে তৎপর রয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরস অঞ্চল সম্প্রতি ৭.৭ মাত্রার একটি বিধ্বংসী ভূমিকম্পের শিকার হয়েছে। প্রাকৃতিক এই বিপর্যয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে, যার ফলে অসংখ্য ভবন ধসে পড়েছে। বর্তমানে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দলগুলো ধসে পড়া কাঠামোর নিচে আটকে পড়া জীবিতদের খুঁজে বের করতে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে একটি শক্তিশালী আফটারশক, যা প্রাথমিক ভূমিকম্পের পরপরই এই অঞ্চলে আঘাত হানে। নতুন করে এই কম্পনের ফলে আতঙ্কিত বাসিন্দারা খোলা জায়গায় আশ্রয় নিচ্ছেন। উদ্ধারকর্মীরা সতর্ক করেছেন যে, বারবার কম্পনের ফলে ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ভবনগুলো আরও ভেঙে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

ফ্লোরস অঞ্চলের অবকাঠামো এই ভূমিকম্পে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং সড়কপথ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে পৌঁছাতে উদ্ধারকারীদের বেগ পেতে হচ্ছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ দুর্গতদের জন্য জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তার ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছে।

ইন্দোনেশিয়া ভৌগোলিকভাবে 'প্যাসিফিক রিং অফ ফায়ার'-এ অবস্থিত হওয়ার কারণে প্রায়শই ভূমিকম্প এবং আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের সম্মুখীন হয়। তবে এবারের কম্পনের মাত্রা ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জনমনে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। পরবর্তী কয়েকদিন অত্যন্ত সংকটপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

আরিফুল ইসলাম
রিপোর্টার