কলকাতার স্কুলগুলোতে মিলবে পুষ্টিকর আহার, ইসকনের রান্নাঘর উদ্বোধন করলেন শুভেন্দু অধিকারী
কলকাতার সরকারি স্কুলগুলোতে মিড-ডে মিলের মানোন্নয়নে নতুন উদ্যোগ। ইসকনের অত্যাধুনিক রান্নাঘর উদ্বোধন করে পুষ্টি ও খাদ্যাভ্যাস নিয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এক নজরে
- কলকাতায় ইসকনের কেন্দ্রীয় রান্নাঘরের উদ্বোধন করলেন শুভেন্দু অধিকারী।
- প্রায় ৪৪ হাজার ছাত্রছাত্রী এই উন্নত মানের মিড-ডে মিলের আওতায় আসবে।
- ইসকনের নিরামিষ আহারের ঐতিহ্যে কোনো হস্তক্ষেপ করবে না প্রশাসন।
পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতার সরকারি স্কুলগুলোতে ছাত্রছাত্রীদের পুষ্টির মান বাড়াতে বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি ইসকনের (ISKCON) একটি অত্যাধুনিক কেন্দ্রীয় রান্নাঘরের উদ্বোধন করেন শুভেন্দু অধিকারী। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৪৪,০০০ শিক্ষার্থী উন্নত মানের মিড-ডে মিল সুবিধা পাবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী জানান যে, সপ্তাহে অন্তত দুদিন ছাত্রছাত্রীদের পাতে ডিম তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে ইসকনের মাধ্যমে পরিবেশিত খাবারের ক্ষেত্রে তাদের নিজস্ব ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য বজায় রাখা হবে।
শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট করে দেন যে, ইসকন দীর্ঘকাল ধরে নিরামিষ আহার পরিবেশনের ঐতিহ্য মেনে আসছে। রাজ্য সরকার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাদের এই নিয়মে হস্তক্ষেপ করবে না। অর্থাৎ, ইসকন তার নিজস্ব রন্ধনশৈলী অনুযায়ী বিশুদ্ধ নিরামিষ খাবারই সরবরাহ করবে।
স্কুলগুলোতে খাবারের মান নিশ্চিত করতে এই কেন্দ্রীয় রান্নাঘর ব্যবস্থা কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে বড় পরিসরে খাবার তৈরির ফলে অপুষ্টি দূরীকরণে এটি একটি বড় মাইলফলক হয়ে দাঁড়াবে।
খাদ্যতালিকায় বৈচিত্র্য থাকলেও নির্দিষ্ট সংস্থার ধর্মীয় অনুশাসনকে সম্মান জানানোর বিষয়টি প্রশাসনের পক্ষ থেকে গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। এর ফলে একদিকে যেমন পুষ্টির লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে, অন্যদিকে পারস্পরিক শ্রদ্ধা বজায় থাকবে।
