ভেনিজুয়েলা ও কলম্বিয়ার ভূমিকম্প পরবর্তী উদ্ধারকাজে সরকারি সক্ষমতার বৈষম্য প্রকট
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ভেনিজুয়েলা ও কলম্বিয়া উভয় দেশেই শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। তবে উভয় দেশের উদ্ধার তৎপরতা এবং সরকারি ত্রাণ সহায়তার মধ্যে বিশাল ব্যবধান লক্ষ্য করা গেছে, যা নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

এক নজরে
- কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে ভেনিজুয়েলা ও কলম্বিয়ায় বিধ্বংসী ভূমিকম্প আঘাত হানে।
- কলম্বিয়ার উদ্ধার তৎপরতা ছিল সুসংগঠিত ও দ্রুতগতির।
- ভেনিজুয়েলায় অবকাঠামো ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে ত্রাণ কাজ ব্যাহত হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ আমেরিকার প্রতিবেশী দুই দেশ ভেনিজুয়েলা এবং কলম্বিয়ায় আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পগুলো দেশ দুটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সক্ষমতাকে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। প্রত্যক্ষদর্শী এবং বিভিন্ন সাহায্যকারী সংস্থার বরাত দিয়ে জানা গেছে, প্রায় একই ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলায় দুই দেশের সরকার সম্পূর্ণ ভিন্ন স্তরের প্রস্তুতি ও দক্ষতা প্রদর্শন করেছে।
কলম্বিয়ায় ভূমিকম্প পরবর্তী সময়ে সরকারি সংস্থাগুলো অত্যন্ত দ্রুততার সাথে উদ্ধারকাজ শুরু করে। সেখানে উন্নত প্রযুক্তি এবং প্রশিক্ষিত জনবলের ব্যবহার চোখে পড়ার মতো ছিল। সমন্বিত উদ্ধার প্রচেষ্টার কারণে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিপরীত চিত্র দেখা গেছে ভেনিজুয়েলায়। সেখানে ভূমিকম্পের পর সাধারণ মানুষকে দীর্ঘ সময় সাহায্যের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে। এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা ত্রাণ কার্যক্রমে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে স্থানীয়রা নিজেরাই ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ করেছেন।
বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থা এবং ত্রাণ কর্মীদের মতে, ভেনিজুয়েলার রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা তাদের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগকে দুর্বল করে দিয়েছে। অন্যদিকে, কলম্বিয়া গত কয়েক বছর ধরে তাদের জরুরি সেবা বিভাগকে আধুনিকায়ন করার সুফল পাচ্ছে। এই দুই ঘটনার তুলনা ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোর দুর্যোগ প্রস্তুতির মধ্যকার ব্যবধানকে স্পষ্ট করে তুলে ধরল।
