আইআইআইটি-ব্যাঙ্গালোরের সমাবর্তন: সর্বোচ্চ ১.৫ কোটি টাকার চাকরির প্রস্তাব লাভ শিক্ষার্থীদের

ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন টেকনোলজি ব্যাঙ্গালোর (IIIT-B) তাদের বার্ষিক সমাবর্তন অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেছে। ৩১৬ জন মেধাবী শিক্ষার্থীর ডিগ্রি অর্জনের দিনে সর্বোচ্চ দেড় কোটি টাকার প্যাকেজ প্রাপ্তির খবরটি বিশেষ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
05 Jul 2026, 21:31
Updated
05 Jul 2026, 21:31
Reading time
2 min
আইআইআইটি-ব্যাঙ্গালোরের সমাবর্তন: সর্বোচ্চ ১.৫ কোটি টাকার চাকরির প্রস্তাব লাভ শিক্ষার্থীদের
প্রযুক্তি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • মোট ৩১৬ জন শিক্ষার্থী আইআইআইটি-ব্যাঙ্গালোর থেকে ডিগ্রি লাভ করেছেন।
  • একজন শিক্ষার্থীর জন্য সর্বোচ্চ বার্ষিক ১.৫ কোটি টাকার চাকরির প্রস্তাব পাওয়া গেছে।
  • ডেটা সায়েন্স এবং কম্পিউটার সায়েন্সের মতো প্রযুক্তিনির্ভর কোর্সে শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেখা গেছে।

ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন টেকনোলজি ব্যাঙ্গালোর (IIIT-B) তাদের বার্ষিক সমাবর্তন অনুষ্ঠানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ৩১৬ জন শিক্ষার্থীকে সনদ প্রদান করেছে। অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং আইটি খাতের নেতৃবৃন্দ। সমাবর্তনটি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সাফল্যের উদযাপনের পাশাপাশি তাদের পেশাগত জীবনের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।

এ বছরের সমাবর্তনে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিল শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাস প্লেসমেন্ট বা চাকরির প্রস্তাব। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, চলতি শিক্ষাবর্ষে সর্বোচ্চ বার্ষিক দেড় কোটি (১.৫ কোটি) টাকার চাকরির প্রস্তাব পেয়েছেন একজন শিক্ষার্থী। এই বিশাল অঙ্কের প্যাকেজটি প্রযুক্তি বিশ্বে আইআইআইটি-বি'র শিক্ষার্থীদের উচ্চ চাহিদারই বহিঃপ্রকাশ।

স্নাতকপ্রাপ্ত ৩১৬ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ডেটা সায়েন্স, কম্পিউটার সায়েন্স এবং ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং এর মতো আধুনিক বিষয়ের শিক্ষার্থীরা রয়েছেন। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, শুধু সর্বোচ্চ প্যাকেজ নয়, বরং গড় বেতনের হারও গত বছরের তুলনায় সন্তোষজনক বৃদ্ধি পেয়েছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও এই সাফল্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

আইআইআইটি-বি'র পরিচালক সমাবর্তন ভাষণে বলেন যে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং মেশিন লার্নিংয়ের এই যুগে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে তারা বদ্ধপরিকর। শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা এবং গভীর কারিগরি জ্ঞানই তাদের বিশ্ববাজারে সমাদৃত করছে। সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশেষ কৃতিত্বের জন্য বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে স্বর্ণপদকে ভূষিত করা হয়।