ইউপি সরকারের নগদ সহায়তা প্রকল্পকে 'দুর্নীতির আবরণ' বলে কটাক্ষ অখিলেশ যাদবের

উত্তরপ্রদেশে মহিলাদের জন্য বিজেপির প্রস্তাবিত নগদ সহায়তা প্রকল্পকে দুর্নীতির অর্থ বিতরণের কৌশল হিসেবে অভিহিত করেছেন সমাজবাদী পার্টি নেতা অখিলেশ যাদব। তিনি দাবি করেছেন, জনগণের পকেট থেকে নেওয়া অর্থই অনুদান হিসেবে ফেরত দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
17 Aug 2026, 01:00
Updated
17 Aug 2026, 01:00
Reading time
2 min
ইউপি সরকারের নগদ সহায়তা প্রকল্পকে 'দুর্নীতির আবরণ' বলে কটাক্ষ অখিলেশ যাদবের
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • বিজেপির প্রস্তাবিত নগদ সহায়তা প্রকল্পকে দুর্নীতির ফসল বলে অভিহিত করেছেন অখিলেশ যাদব।
  • প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর মতে, এটি জনগণের পকেট কাটা অর্থই অনুদান হিসেবে ফেরত দেওয়ার নামান্তর।
  • রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনের আগে এই বিতর্ক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

উত্তরপ্রদেশের আসন্ন নির্বাচনী আবহকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বাগযুদ্ধ তুঙ্গে উঠেছে। সম্প্রতি সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) প্রস্তাবিত মহিলাদের জন্য সরাসরি নগদ অর্থ সহায়তা প্রকল্পের তীব্র সমালোচনা করেছেন। দ্য হিন্দুর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, যাদব এই উদ্যোগকে 'দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ বৈধ করার প্রচেষ্টা' বলে বর্ণনা করেছেন।

প্রাক্তন এই মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন যে, বিজেপি সরকার জনগণের থেকে বিভিন্ন উপায়ে সম্পদ হাতিয়ে নিয়েছে এবং এখন সেই একই অর্থ অনুদান হিসেবে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। তিনি মনে করেন, এটি আসলে একটি কাঠামোগত দুর্নীতির অংশ যা সাধারণ মানুষের নজর এড়ানোর জন্য জনকল্যাণের মোড়কে পরিবেশন করা হচ্ছে।

যাদব আরও দাবি করেন যে, উত্তরপ্রদেশের বর্তমান প্রশাসন সাধারণ নাগরিকদের মৌলিক সমস্যাগুলো সমাধান করতে ব্যর্থ হয়েছে। বেকারত্ব এবং মুদ্রাস্ফীতির মতো বিষয়গুলো থেকে জনদৃষ্টি সরিয়ে নিতেই সরকার এই ধরণের সাময়িক আর্থিক টোপ ব্যবহার করছে। তার মতে, জনগণের নিজস্ব অর্থই তাদের হাতে তুলে দিয়ে সরকার কৃতিত্ব নেওয়ার চেষ্টা করছে।

অন্যদিকে, বিজেপি নেতৃত্ব অখিলেশ যাদবের এই অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের দাবি, মহিলা ক্ষমতায়ন এবং তৃণমূল স্তরের আর্থিক উন্নয়নের লক্ষ্যেই এই স্কিমটি প্রণয়ন করা হয়েছে। তবে অখিলেশ যাদব অনড় অবস্থানে থেকে জানিয়েছেন যে, জনগণ এখন অনেক বেশি সচেতন এবং এই ধরনের রাজনৈতিক কৌশলগুলো ভোটারদের প্রভাবিত করতে পারবে না।