সেউতা সীমান্ত সংকট: ইউরোপীয় দেশগুলোর ‘স্বার্থপর’ আচরণের নিন্দা জানালেন পেদ্রো সানচেজ

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ মরক্কো সীমান্ত দিয়ে গণ-অনুপ্রবেশের ঘটনায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের কিছু সদস্য দেশের প্রতিক্রিয়ার তীব্র সমালোচনা করেছেন। ব্রাসেলসকে দেওয়া চিঠিতে তিনি বিষয়টিকে অবৈধ ও বিভাজনমূলক বলে আখ্যা দেন।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
01 Aug 2026, 16:01
Updated
01 Aug 2026, 16:01
Reading time
2 min
সেউতা সীমান্ত সংকট: ইউরোপীয় দেশগুলোর ‘স্বার্থপর’ আচরণের নিন্দা জানালেন পেদ্রো সানচেজ
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • ইউরোপীয় দেশগুলোর আচরণকে ‘স্বার্থপর ও অবৈধ’ বলে অভিহিত করেছেন স্প্যানিশ প্রধানমন্ত্রী।
  • স্পেনকে শেনজেন এলাকা থেকে বাদ দেওয়ার প্রস্তাবের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
  • সীমান্ত সংকট নিয়ন্ত্রণে মরক্কোর সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন পেদ্রো সানচেজ।

স্পেনের ছিটমহল সেউতা সীমান্তে সাম্প্রতিক অভিবাসন সংকট নিয়ে ইউরোপীয় রাজনীতির অন্দরমহলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। মরক্কো থেকে হাজার হাজার মানুষের স্পেনে প্রবেশের ঘটনায় কিছু ইইউ সদস্য রাষ্ট্র স্পেনের কড়া সমালোচনা করেছে। এর প্রতিক্রিয়ায় স্প্যানিশ প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ব্রাসেলসকে একটি কড়া চিঠি দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী সানচেজ তার চিঠিতে অভিযোগ করেছেন যে, কিছু দেশ এই সংকটকে ব্যবহার করে স্পেনের বিরুদ্ধে ‘স্বার্থপর’ এবং ‘অবৈধ’ অবস্থান নিয়েছে। এমনকি কিছু রাষ্ট্র স্পেনকে শেনজেন এলাকা থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করার দাবিও তুলেছে। সানচেজ এই দাবিগুলোকে ভিত্তিহীন এবং ইউরোপীয় সংহতির পরিপন্থী বলে বর্ণনা করেছেন।

সানচেজের মতে, এই ধরণের আক্রমণাত্মক মনোভাবের পেছনে রয়েছে কুসংস্কার, ভুয়া খবর এবং রাজনৈতিক স্বার্থ। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, যারা স্পেনের সমালোচনা করছে তারা আন্তর্জাতিক মানবিক আইন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মূল নীতিমালা লঙ্ঘন করছে।

একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সানচেজ মরক্কোর ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই সংকট নিয়ন্ত্রণে মরক্কো স্পেনকে উল্লেখযোগ্য সহযোগিতা প্রদান করেছে। বর্তমান পরিস্থিতির ভয়াবহতা উল্লেখ করে তিনি ইইউকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য যে, সেউতা সীমান্তে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের সংখ্যা বাড়তে থাকায় সেখানে মানবিক পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে। এই সংকট মোকাবিলায় স্প্যানিশ সরকার এখন ইইউ-এর পূর্ণ সমর্থন এবং সংহতি প্রত্যাশা করছে।