ভোগাপুরম বিমানবন্দরে ধিমসা নৃত্যের মহোৎসব: বিশ্ব রেকর্ডে নাম লেখালো ১৩ হাজার শিক্ষার্থী

অন্ধ্রপ্রদেশের ভোগাপুরম বিমানবন্দরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঐতিহ্যবাহী ধিমসা নৃত্যের মাধ্যমে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়ল প্রায় ১৩,৭৫০ জন স্কুল শিক্ষার্থী। আদিবাসী সংস্কৃতির এই বিশাল প্রদর্শনটি রাজ্যের ঐতিহ্যকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরেছে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
02 Aug 2026, 03:31
Updated
02 Aug 2026, 03:31
Reading time
2 min
ভোগাপুরম বিমানবন্দরে ধিমসা নৃত্যের মহোৎসব: বিশ্ব রেকর্ডে নাম লেখালো ১৩ হাজার শিক্ষার্থী
বিনোদন · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • ১৩,৭৫০ জন শিক্ষার্থীর ধিমসা নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড স্থাপন।
  • অন্ধ্রপ্রদেশের ভোগাপুরম বিমানবন্দরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই বিশাল আয়োজন সম্পন্ন হয়।
  • আদিবাসী ঐতিহ্য ও লোকজ সংস্কৃতিকে বিশ্বজুড়ে প্রচার করাই ছিল এই উৎসবের মূল লক্ষ্য।

অন্ধ্রপ্রদেশের সাংস্কৃতিক ইতিহাসের এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় রচিত হলো ভোগাপুরম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী 'ধিমসা' নৃত্য প্রদর্শনের মাধ্যমে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে হাজার হাজার স্কুল পড়ুয়া। এই বিশাল আয়োজনে অংশ নিয়েছিল প্রায় ১৩,৭৫০ জন শিক্ষার্থী, যারা অত্যন্ত নিপুণতার সাথে তাদের পারফরম্যান্স তুলে ধরে।

এই গণ-নৃত্য প্রদর্শনটি শুধুমাত্র একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হিসেবেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং এটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান করে নিয়েছে। অংশগ্রহণকারীদের সুশৃঙ্খল পদক্ষেপ এবং ছান্দিক উপস্থাপনা উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে। আদিবাসী সংস্কৃতির এমন বিশাল সংহতি সচরাচর দেখা যায় না।

ধিমসা হলো অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম অঞ্চলের আদিবাসীদের একটি প্রাচীন লোকনৃত্য। মূলত নারী-পুরুষ নির্বিশেষে এই নৃত্যে অংশ নিয়ে থাকেন, যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। বিমানবন্দরের আধুনিক কাঠামোর সামনে এই প্রাচীন লোকজ শিল্পের মেলবন্ধন এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগের প্রশংসা করা হয়েছে। প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মতে, নতুন প্রজন্মের কাছে নিজেদের শেকড় এবং আদিবাসী ঐতিহ্যকে পরিচিত করানোর জন্যই এই বিশাল আয়োজন করা হয়েছিল। বিশ্ব রেকর্ডের এই স্বীকৃতি স্থানীয় শিল্পীদের মনোবলকে আরও সুদৃঢ় করবে।

অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে কয়েক সপ্তাহ ধরে কঠোর পরিশ্রম করেছে শিক্ষার্থীরা। তাদের এই অর্জন অন্ধ্রপ্রদেশের পর্যটন এবং সাংস্কৃতিক প্রচারণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভোগাপুরম বিমানবন্দর এখন থেকে কেবল যাতায়াতের মাধ্যম নয়, বরং এই বিশ্ব রেকর্ডের সাক্ষী হিসেবেও পরিচিত হবে।