মহীশূরে বিবেক স্মারকের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী
স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শকে তরুণ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে কর্ণাটকের মহীশূরে নবনির্মিত 'বিবেক স্মারক' উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই প্রকল্পটি আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশের নতুন কেন্দ্র হবে।

এক নজরে
- প্রধানমন্ত্রী মোদী মহীশূরে বিবেক স্মারকের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
- স্মারকটি স্বামী বিবেকানন্দের জীবন ও দর্শনের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত।
- এটি তরুণ প্রজন্মের চারিত্রিক ও আধ্যাত্মিক বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কর্ণাটকের মহীশূরে বিবেক স্মারক জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেছেন। এই স্মারকটি স্বামী বিবেকানন্দের শিক্ষাকে সংরক্ষণ এবং প্রচারের লক্ষে নির্মিত একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী স্বামী বিবেকানন্দের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং ভারতের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন।
এই প্রকল্পটি রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে উল্লেখ করেন যে, এই স্মারকটি তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করবে এবং তাদের চারিত্রিক গঠনে সহায়তা করবে। তিনি আধুনিক ভারতের নির্মাণে বিবেকানন্দের দূরদর্শী চিন্তাধারার প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আলোচনা করেন।
স্মারকটির স্থাপত্যশৈলী এবং অভ্যন্তরীণ নকশায় স্বামীজির জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলী ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এখানে একটি বিশেষ গ্যালারি ও ডিজিটাল প্রদর্শনী কক্ষ রয়েছে যা দর্শনার্থীদের ঊনবিংশ শতাব্দীর ওই মহান দার্শনিকের জীবন দর্শনের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবে।
অনুষ্ঠানে কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী এবং বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং বলেন যে জ্ঞান ও আধ্যাত্মিকতার প্রসারে এই ধরনের স্মারক স্তম্ভ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
