বাংলাদেশ আজকাল — Bangladesh Ajkal

ট্রাম্পের গাজা পরিকল্পনা নিয়ে হামাসের সঙ্গে আলোচনায় জ্যারেড কুশনার: নিউ ইয়র্ক টাইমস

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার গাজা উপত্যকার ভবিষ্যৎ এবং একটি নতুন শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে হামাস প্রতিনিধিদের সাথে সরাসরি আলোচনা শুরু করেছেন বলে জানিয়েছে নিউ ইয়র্ক টাইমস।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
17 Aug 2026, 02:00
Updated
17 Aug 2026, 02:00
Reading time
2 min
ট্রাম্পের গাজা পরিকল্পনা নিয়ে হামাসের সঙ্গে আলোচনায় জ্যারেড কুশনার: নিউ ইয়র্ক টাইমস
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • ট্রাম্পের জামাতা কুশনার ও হামাস প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত।
  • গাজা পুনর্গঠন ও ভবিষ্যৎ প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
  • এই উদ্যোগ ট্রাম্পের নিজস্ব মধ্যপ্রাচ্য পরিকল্পনার অংশ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা বিষয়ক একটি গোপন শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরাসরি হামাসের সাথে সংলাপে বসেছেন জ্যারেড কুশনার। নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই আলোচনার মাধ্যমে ফিলিস্তিনি অঞ্চলে যুদ্ধের অবসান এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রশাসনিক সংস্কারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, কুশনারের এই উদ্যোগ ট্রাম্পের সম্ভাব্য দ্বিতীয় মেয়াদের বিদেশ নীতির একটি বড় অংশ হতে পারে। হামাসের ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের সাথে এই আলোচনার উদ্দেশ্য হলো গাজা উপত্যকায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং ইসরায়েলের সাথে একটি নতুন সমঝোতায় পৌঁছানো। তবে মার্কিন প্রশাসনের বর্তমান কর্মকর্তাদের মতে, এই ব্যক্তিগত পর্যায়ের কূটনীতি বিদ্যমান সরকারি উদ্যোগের সাথে সাংঘর্ষিক হতে পারে।

নিউ ইয়র্ক টাইমস উল্লেখ করেছে যে, জ্যারেড কুশনার মধ্যপ্রাচ্যে তার আগের অভিজ্ঞতাক কাজে লাগিয়ে এই জটিল সংকটের সমাধান খুঁজছেন। এর আগে তিনি আব্রাহাম অ্যাকর্ডস বা ইব্রাহিম চুক্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। এবারের আলোচনায় গাজার পুনর্গঠন এবং সেখানে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

হামাস এই আলোচনার বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বিবৃতি দেয়নি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কিন নির্বাচনের আগে ট্রাম্প শিবিরের এই তৎপরতা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ইসরায়েল সরকার এই আলোচনার বিষয়ে অবগত কি না, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে।

শেষ পর্যন্ত কুশনারের এই গোপন দৌত্য গাজার সাধারণ মানুষের ভাগ্যে কী পরিবর্তন আনে, তা সময় বলে দেবে। তবে বর্তমান ওয়াশিংটন প্রশাসন এবং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলো এই পদক্ষেপকে সতর্কতার সাথে পর্যবেক্ষণ করছে।