চেন্নাইতে ইভিএম যাচাই প্রক্রিয়া তুঙ্গে: কোনো কারচুপির প্রমাণ মেলেনি বলে জানালেন নির্বাচনি কর্মকর্তা

চেন্নাইয়ের জেলা নির্বাচনি কর্মকর্তা জি এস সামীরান জানিয়েছেন যে ইভিএম যাচাইয়ের চতুর্থ দিনেও কোনো যান্ত্রিক কারচুপির প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এই প্রক্রিয়াটি পুনর্গণনা নয়, বরং যন্ত্রের নির্ভরযোগ্যতা প্রমাণের একটি স্বচ্ছ মহড়া মাত্র।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
02 Aug 2026, 03:46
Updated
02 Aug 2026, 03:46
Reading time
2 min
চেন্নাইতে ইভিএম যাচাই প্রক্রিয়া তুঙ্গে: কোনো কারচুপির প্রমাণ মেলেনি বলে জানালেন নির্বাচনি কর্মকর্তা
রাজনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • ইভিএম যাচাইয়ের চতুর্থ দিনেও কোনো কারচুপির প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
  • এটি ভোট পুনর্গণনা নয়, বরং ইভিএমের নির্ভরযোগ্যতা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া মাত্র।
  • প্রক্রিয়াটি ১০০ শতাংশ স্বচ্ছতা বজায় রেখে পরিচালনা করা হচ্ছে।

চেন্নাইয়ের জেলা নির্বাচনি কর্মকর্তা এবং গ্রেটার চেন্নাই কর্পোরেশনের কমিশনার জি এস সামীরান ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) স্বচ্ছতা নিয়ে ওঠা প্রশ্ন নিরসনে এক গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য পেশ করেছেন। চতুর্থ দিনে পদার্পণ করা ইভিএম যাচাই ও ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ায় এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের কারচুপির প্রমাণ মেলেনি বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

সামীরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, বর্তমানে যা চলছে তা কোনোভাবেই ভোট পুনর্গণনা নয়। এটি মূলত ইভিএমের কার্যকারিতা ও নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করার একটি পদ্ধতিগত প্রক্রিয়া। নির্বাচনের ফল পরবর্তী সময়ে ইভিএম নিয়ে জনমনে যেন কোনো বিভ্রান্তি না থাকে, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

পুরো প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন করা হচ্ছে বলে প্রশাসন দাবি করেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই পরীক্ষা চালানো হচ্ছে যাতে মেশিনের প্রতিটি কমান্ড এবং রেকর্ড সঠিকভাবে সংরক্ষিত আছে কি না তা যাচাই করা যায়।

নির্বাচনি কর্মকর্তাদের মতে, এই ধরনের যাচাইকরণ প্রক্রিয়া গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বৃদ্ধি করে। প্রযুক্তিনির্ভর ভোটিং ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং যেকোনো ধরনের যান্ত্রিক ত্রুটির আশঙ্কা দূর করাই এই বিশেষ অভিযানের মূল লক্ষ্য।