ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ৩৮, সুনামি আতঙ্ক
ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরস দ্বীপে আঘাত হানা একটি শক্তিশালী ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের খবর পাওয়া গেছে। এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৮ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে এবং উপকূলীয় অঞ্চলে জরুরি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

এক নজরে
- ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরস দ্বীপে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।
- এখন পর্যন্ত ৩৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে এবং নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
- উপকূলীয় অঞ্চলে সুনামি সতর্কতা জারি করে বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় ফ্লোরস দ্বীপে এক ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয় নেমে এসেছে। শনিবার স্থানীয় সময় সকালে আঘাত হানা ৭.৭ মাত্রার এই ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৩৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা। কম্পনটি এতটাই শক্তিশালী ছিল যে পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোতেও তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল সমুদ্রের তলদেশে, যার ফলে তাৎক্ষণিকভাবে ওই অঞ্চলে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের সময় ভবনগুলো কয়েক মিনিট ধরে প্রবলভাবে দুলছিল, যার ফলে অনেক পুরনো স্থাপনা ধসে পড়েছে।
উদ্ধারকারী দলগুলো বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। তবে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় এবং রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দুর্গম এলাকাগুলোতে ত্রাণ পৌঁছাতে বেগ পেতে হচ্ছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও অনেকে আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ইন্দোনেশিয়া 'প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার'-এ অবস্থিত হওয়ায় এটি বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। আজকের এই বিপর্যয় আবারও দেশটির অবকাঠামোগত ঝুঁকি ও দুর্যোগ মোকাবিলা প্রস্তুতিকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় জরুরি তহবিল ঘোষণা করেছে।
