ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস: লাল কেল্লায় ইতিহাস গড়ে গীত হলো ‘বন্দে মাতরম’
ভারতের স্বাধীনতা অর্জনের আট দশক পূর্তি উদযাপনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে লাল কেল্লায় আয়োজিত হলো বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এই আয়োজনে জাতীয় সংগীতের পাশাপাশি গীত হলো জাতীয় স্তোত্র ‘বন্দে মাতরম’।

এক নজরে
- ভারতের স্বাধীনতার ৮০ বছর পূর্তি উপলক্ষে লাল কেল্লায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পতাকা উত্তোলন।
- ইতিহাসে প্রথমবার স্বাধীনতা দিবসের মূল অনুষ্ঠানে জাতীয় স্তোত্র ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশিত।
- দেশজুড়ে আট দশকের অর্জন উদযাপন এবং উন্নত ভারত গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত।
২০২৬ সালে ভারতের স্বাধীনতার ৮০ বছর পূর্তিতে এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকল দিল্লি। প্রতি বছরের মতো এবারও ঐতিহ্যবাহী লাল কেল্লায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে মূল অনুষ্ঠানের সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই বিশেষ মাইলফলক উদযাপনে ভারতের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ভবিষ্যতের সংকল্প প্রতিফলিত হয়েছে।
এবারের উদযাপনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক ছিল অনুষ্ঠানের সূচিতে একটি বিশেষ সংযোজন। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো লাল কেল্লার এই আনুষ্ঠানিক মঞ্চে জাতীয় স্তোত্র 'বন্দে মাতরম' পরিবেশন করা হয়। এই সিদ্ধান্তটি দেশটির সাংস্কৃতিক ও দেশপ্রেমের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী মোদী তার ভাষণে গত আট দশকের অর্জনের কথা তুলে ধরেন এবং উন্নত ভারত গঠনের স্বপ্নের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। সমবেত জনতা ও বিদেশি প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ ও সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী দেশীয় বীরত্ব ও বৈচিত্র্যকে তুলে ধরে।
নিরাপত্তার কঠোর চাদরে ঢাকা এই আয়োজনে সামরিক বাহিনীর বিশেষ উইং এবং বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। স্বাধীনতার এই বিশেষ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে দেশজুড়ে ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’-এর পরবর্তী ধাপের অংশ হিসেবে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, লাল কেল্লায় বন্দে মাতরম-এর অন্তর্ভুক্তি জাতীয়তাবাদ এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মেলবন্ধনের একটি শক্তিশালী বার্তা। এটি ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

