সিনেট নির্বাচনে পদত্যাগে নারাজ ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা: সংকটে দলীয় কৌশল

মন্টানা ও সাউথ ডাকোটার ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পথ ছেড়ে দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। এতে রিপাবলিকানদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিরোধী পক্ষের ভোট বিভাজনের আশঙ্কা প্রকট হচ্ছে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
01 Aug 2026, 17:16
Updated
01 Aug 2026, 17:16
Reading time
2 min
সিনেট নির্বাচনে পদত্যাগে নারাজ ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা: সংকটে দলীয় কৌশল
রাজনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • মন্টানা ও সাউথ ডাকোটার ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা প্রার্থিতা প্রত্যাহারে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
  • স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয় সহজ করতে জাতীয় ডেমোক্র্যাটিক পার্টি থেকে চাপ দেয়া হচ্ছিল।
  • ভোট বিভাজনের ফলে ওই দুই রাজ্যে রিপাবলিকানদের জয়ের সম্ভাবনা প্রবল হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট নির্বাচনে রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত 'ডিপ-রেড' অঙ্গরাজ্যগুলোতে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির রণকৌশল এখন বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে। মন্টানা এবং সাউথ ডাকোটায় দলের মনোনীত প্রার্থীরা ব্যালট থেকে নাম প্রত্যাহার করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন, যদিও জাতীয় পর্যায়ে দল থেকে তাদের ওপর চাপ বাড়ছে। ডেমোক্র্যাটদের ভয়, প্রার্থী না সরালে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা রিপাবলিকানদের বিপক্ষে জয়ী হতে পারবেন না।

মন্টানার ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আলানি ব্যাংকহেড এবং সাউথ ডাকোটার জুলিয়ান বিউডিয়ন উভয়েই স্পষ্ট করেছেন যে, তারা লড়াই চালিয়ে যাবেন। ব্যাংকহেড রসিকতা করে বলেছেন, 'ঈশ্বরের দৈব হস্তক্ষেপ' ছাড়া তিনি সরবেন না। অন্যদিকে বিউডিয়ন দাবি করেছেন, ভোটারদের সাথে তার গভীর সংযোগই তাকে জয়ের পথে নিয়ে যাবে, যদিও জরিপ এবং অর্থায়নের দিক থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা অনেক এগিয়ে রয়েছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সেথ বোডনার এবং ব্রায়ান বেংসের মতো স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বর্তমান রিপাবলিকান সিনেটরদের জন্য বড় হুমকি হতে পারতেন। কিন্তু ডেমোক্র্যাটরা মাঠে থাকায় বিরোধী ভোট ভাগ হয়ে যাবে। এতে করে ডোনাল্ড ট্রাম্প সমর্থিত এলাকায় রিপাবলিকানদের জয় পাওয়া অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নেব্রাস্কা এবং আইডাহোর মতো রাজ্যে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা ইতোমধ্যেই বৃহত্তর স্বার্থে নাম প্রত্যাহার করেছেন। সেখানে তারা বুঝতে পেরেছেন যে, ডেমোক্র্যাটিক ব্র্যান্ডের অধীনে জয়ী হওয়া প্রায় অসম্ভব। কিন্তু মন্টানা ও সাউথ ডাকোটায় সেই একই সমঝোতা না হওয়ায় ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সিনেট নিয়ন্ত্রণের স্বপ্ন এখন সুদূরপরাহত বলে মনে করছেন দলের নীতি-নির্ধারকরা।