বীণা জর্জের বিরুদ্ধে কেএসইউ-এর কালো পতাকা বিক্ষোভ: নতুন করে তদন্তের নির্দেশ ইউডিএফ সরকারের

কেরালার স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীণা জর্জের বিরুদ্ধে কেএসইউ কর্মীদের কালো পতাকা প্রদর্শনের ঘটনায় নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে ইউডিএফ সরকার। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা খুনের চেষ্টার অভিযোগটি পুনঃনিরীক্ষা করা হবে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
02 Aug 2026, 13:00
Updated
02 Aug 2026, 13:00
Reading time
2 min
বীণা জর্জের বিরুদ্ধে কেএসইউ-এর কালো পতাকা বিক্ষোভ: নতুন করে তদন্তের নির্দেশ ইউডিএফ সরকারের
রাজনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • কেএসইউ কর্মীদের বিরুদ্ধে আনা খুনের চেষ্টার অভিযোগ নতুন করে খতিয়ে দেখা হবে।
  • স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ চেন্নিথালার কার্যালয় থেকে এই পুনঃতদন্তের আদেশ জারি করা হয়েছে।
  • কর্মীদের দাবি ছিল যে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ এনেছে।

কেরালার রাজনৈতিক অঙ্গনে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে রাজ্য স্বরাষ্ট্র দপ্তর কেএসইউ কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা পুরনো একটি মামলার পুনঃতদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। ঘটনাটি মূলত স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীণা জর্জের বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদ মিছিলকে কেন্দ্র করে ঘটেছিল।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ চেন্নিথালার কার্যালয় জানিয়েছে যে, গ্রেপ্তারকৃত কেএসইউ কর্মীদের একটি আবেদনের প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আবেদনকারীদের দাবি, তাদের বিরুদ্ধে আনা খুনের চেষ্টা এবং সশস্ত্র হামলার অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

তৎকালীন সময়ে বিক্ষোভকারীরা মন্ত্রীর গাড়িবহর লক্ষ্য করে কালো পতাকা প্রদর্শন করেছিলেন। পুলিশ সেই সময় দাবি করেছিল যে এই বিক্ষোভ সহিংস রূপ নিয়েছিল, যার ফলে গুরুতর আইনি ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। তবে বর্তমান সরকার এখন পুলিশের সেই প্রাথমিক প্রতিবেদনের সত্যতা যাচাই করতে চায়।

এই পুনঃতদন্তের নির্দেশকে অনেকেই রাজনৈতিক বিজয় হিসেবে দেখছেন, বিশেষ করে ছাত্র সংগঠনটির জন্য। সরকারের এই পদক্ষেপটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে তারা বিরোধী দলীয় কর্মীদের ওপর দমনমূলক ব্যবস্থার অভিযোগগুলো গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি বিশেষ দল এখন নতুন করে তথ্য ও প্রমাণ সংগ্রহ করবে। তদন্তে যদি দেখা যায় যে পুলিশের অভিযোগগুলোতে অতিরঞ্জন ছিল, তবে গ্রেপ্তারকৃত কর্মীদের বিরুদ্ধে থাকা আইনি বোঝা অনেকাংশে লাঘব হতে পারে।

কেরালার বিরোধী দলগুলো এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও, শাসক জোটের পক্ষ থেকে এটিকে আইনি প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এই মামলার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ হতে পারে।