সমাজের নিভৃতচারী নয় নায়ককে সম্মাননা জানাল ভিআইটি-এপি বিশ্ববিদ্যালয়

শিক্ষা ও সমাজসেবায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ অন্ধ্রপ্রদেশের নয়জন ব্যক্তিকে ‘আনসাং হিরোস’ বা অখ্যাত বীর হিসেবে সম্মানিত করেছে ভিআইটি-এপি বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক এই উদ্যোগ স্থানীয় পরিবর্তনের কারিগরদের মূলধারায় তুলে ধরার প্রচেষ্টা।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
16 Aug 2026, 00:15
Updated
16 Aug 2026, 00:15
Reading time
2 min
সমাজের নিভৃতচারী নয় নায়ককে সম্মাননা জানাল ভিআইটি-এপি বিশ্ববিদ্যালয়
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • নয়জন তৃণমূল কর্মীকে তাদের অসামান্য অবদানের জন্য পুরস্কৃত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
  • প্রান্তিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ ভূমিকার জন্য এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
  • শিক্ষার্থীদের মধ্যে সামাজিক দায়িত্ববোধ ও নৈতিকতা চর্চার অংশ হিসেবে এই আয়োজন।

সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের উন্নয়নে কাজ করা এবং নীরবে সেবামূলক কর্মকাণ্ডে আত্মনিয়োগ করা নয়জন ব্যক্তিকে বিশেষ সম্মাননা দিয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশের ভিআইটি-এপি বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাসে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে এই ব্যক্তিদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রচারের অন্তরালে থাকা এই ব্যক্তিদের কাজ সমাজকে আরও সমৃদ্ধ করছে।

সম্মাননাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন প্রান্তিক শিশুদের শিক্ষাদানকারী শিক্ষক, পরিবেশ সংরক্ষণে নিবেদিতপ্রাণ কর্মী এবং গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবায় অবদান রাখা স্বেচ্ছাসেবীরা। তাদের নিরলস প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি দিতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এই প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের মতে, তরুণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতা জাগিয়ে তুলতে এই সব অনুপ্রেরণামূলক ব্যক্তিত্বদের সাহচর্য প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং বিশিষ্ট শিক্ষাবিদরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা উল্লেখ করেন যে, সমাজের প্রকৃত উন্নয়ন কেবল প্রযুক্তি বা অর্থনীতির ওপর নির্ভর করে না, বরং যারা ক্ষুদ্র পরিসরে বড় পরিবর্তন আনছেন, তাদের অবদানই দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে। এই সম্মাননা কেবল নয়জন ব্যক্তির জন্য নয়, বরং সমস্ত তৃণমূল কর্মীদের জন্য একটি অনুপ্রেরণা।

ভিআইটি-এপি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতি বছরই এ ধরনের সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকে। মেধার বিকাশের পাশাপাশি একটি মানবিক সমাজ গঠনে শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করাই এই কর্মসূচির প্রধান লক্ষ্য। অনুষ্ঠান শেষে সম্মাননাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা তাদের অভিজ্ঞতার কথা শিক্ষার্থীদের সাথে বিনিময় করেন, যা এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি করে।