সেউতা সীমান্ত সংকট ও দাবানল: ইউরোপীয় দেশগুলোর ভূমিকায় ক্ষুব্ধ স্পেনীয় প্রধানমন্ত্রী

মরক্কো সীমান্ত দিয়ে হাজার হাজার মানুষের অনুপ্রবেশ ঘিরে উত্তপ্ত ইউরোপ। ব্রাসেলসকে দেওয়া চিঠিতে ইইউ সদস্যদের 'স্বার্থপর' আচরণের নিন্দা জানিয়েছেন পেদ্রো সানচেজ। এদিকে ফ্রান্সে নিয়ন্ত্রণে এসেছে ভয়াবহ দাবানল।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
01 Aug 2026, 17:45
Updated
01 Aug 2026, 17:45
Reading time
2 min
সেউতা সীমান্ত সংকট ও দাবানল: ইউরোপীয় দেশগুলোর ভূমিকায় ক্ষুব্ধ স্পেনীয় প্রধানমন্ত্রী
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • সেউতা সীমান্তে অভিবাসন সংকট নিয়ে ইইউ সদস্যদের কড়া সমালোচনা করলেন পেদ্রো সানচেজ।
  • সীমান্ত পারাপারের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বাড়ছে।
  • ফ্রান্সের গিরোন্দে অঞ্চলের ৪২ হাজার হেক্টর ধ্বংস করা ভয়াবহ দাবানল অবশেষে নিয়ন্ত্রণে।

স্পেনের ছিটমহল সেউতা সীমান্ত দিয়ে মরক্কো থেকে হাজার হাজার মানুষের অনুপ্রবেশকে কেন্দ্র করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে নতুন করে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ব্রাসেলসে প্রেরিত এক চিঠিতে এই সংকটের প্রেক্ষিতে কিছু ইইউ সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়াক 'স্বার্থপর এবং অবৈধ' বলে অভিহিত করেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন যে, এই মেরুকরণ নীতি মহাদেশীয় সংহতিকে হুমকির মুখে ফেলছে।

সীমান্ত সংকট যখন চরমে, তখন সেখানে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। সানচেজের মতে, অভিবাসন সমস্যা সমাধানে সম্মিলিত প্রচেষ্টার বদলে বিভাজনমূলক রাজনীতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। তিনি ইইউ জোটের দেশগুলোকে আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক মূল্যবোধ বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

একই সময়ে ইউরোপের দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চল ভয়াবহ দাবানলের কবলে পড়েছে। গ্রিস, ফ্রান্স এবং স্পেনের জরুরি সেবা সংস্থাগুলো আগুন নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে। তবে ফরাসি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনিয়েজ জানিয়েছেন যে, দক্ষিণ-পশ্চিম ফ্রান্সের গিরোন্দে অঞ্চলের 'মেগাফায়ার' হিসেবে পরিচিত বিশাল দাবানলটি অবশেষে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।

লে মন্ডে পত্রিকার বরাত দিয়ে জানা গেছে, এই দাবানলে প্রায় ৪২,০০০ হেক্টর জমি ভস্মীভূত হয়েছে। বর্তমানে আগুনের বিস্তার থমকে দাঁড়িয়েছে, যা দমকল বাহিনীর জন্য বড় ধরনের স্বস্তি বয়ে এনেছে। তবে অন্যান্য অঞ্চলে উচ্চ তাপপ্রবাহের কারণে দাবানলের ঝুঁকি এখনও রয়ে গেছে বলে কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছে।