জেডি ভ্যান্সের মন্তব্যের কড়া জবাব নেতানিয়াহুর, ভারতের সমর্থনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী জেডি ভ্যান্সের 'একমাত্র মিত্র' মন্তব্যের প্রেক্ষিতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ভারতের অকুন্ঠ সমর্থনের কথা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন যে ১৪০ কোটি ভারতীয় তাদের পাশে রয়েছে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
06 Jul 2026, 02:46
Updated
06 Jul 2026, 02:46
Reading time
2 min
জেডি ভ্যান্সের মন্তব্যের কড়া জবাব নেতানিয়াহুর, ভারতের সমর্থনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • জেডি ভ্যান্স মন্তব্য করেছিলেন যে যুক্তরাষ্ট্রই ইসরায়েলের একমাত্র প্রকৃত বন্ধু।
  • জবাবে নেতানিয়াহু ১৪০ কোটি ভারতীয় জনগনের অকুণ্ঠ সমর্থনের কথা উল্লেখ করেন।
  • প্রধানমন্ত্রী ভারতের সাথে ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

মার্কিন নির্বাচনের উত্তাপের মধ্যে ইসরায়েলের কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। রিপাবলিকান ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী জেডি ভ্যান্স সম্প্রতি মন্তব্য করেছিলেন যে, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই একমাত্র রাষ্ট্র যারা সত্যিকারের মিত্র হিসেবে ইসরায়েলের পাশে দাঁড়িয়েছে। তবে এই মন্তব্যের সাথে দ্বিমত পোষণ করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

একটি সাম্প্রতিক আলোচনায় নেতানিয়াহু স্পষ্ট করে দেন যে, তার দেশ শুধুমাত্র আমেরিকার ওপর নির্ভরশীল নয়। তিনি বিশেষ গুরুত্বের সাথে ভারতের ভূমিকার প্রসঙ্গটি সামনে আনেন। নেতানিয়াহুর মতে, ভারতের ১৪০ কোটি মানুষের নৈতিক এবং কৌশলগত সমর্থন ইসরায়েলের জন্য গত কয়েক বছরে অত্যন্ত মূল্যবান হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নেতানিয়াহুর এই অবস্থান মূলত ভারতের সাথে ক্রমবর্ধমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রতিফলন। বিশেষ করে প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা এবং কৃষি খাতে দিল্লি ও জেরুজালেমের ঘনিষ্ঠতা সাম্প্রতিক সময়ে বহুগুণ বেড়েছে। ভ্যান্সের দাবিকে পরোক্ষভাবে নাকচ করে দিয়ে নেতানিয়াহু বিশ্বমঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রভাবকে স্বীকৃতি দিয়েছেন।

এই ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল যখন বিশ্বে দলাদলি এবং কৌশলগত সমীকরণ দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। আমেরিকা ইসরায়েলের দীর্ঘকালীন সামরিক অংশীদার হলেও, এশিয়ার অন্যতম শক্তি ভারতের সমর্থনকে নেতানিয়াহু এখন বৈশ্বিক কূটনীতিতে একটি অপরিহার্য স্তম্ভ হিসেবে দেখছেন।