বিহারে ২০২৫ সালের নির্বাচনে ঐতিহাসিক রেকর্ড: স্বাধীনতার পর সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতি

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছেন যে ২০২৫ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি স্বাধীনতার পর থেকে সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে, যা উন্নত দেশগুলোকেও পেছনে ফেলেছে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
17 Aug 2026, 01:00
Updated
17 Aug 2026, 01:00
Reading time
2 min
বিহারে ২০২৫ সালের নির্বাচনে ঐতিহাসিক রেকর্ড: স্বাধীনতার পর সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতি
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • বিহার বিধানসভা নির্বাচনে স্বাধীনতার পর সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতির রেকর্ড।
  • ফ্রান্স, জাপান ও স্পেনের মতো উন্নত দেশকেও টপকে গেছে বিহারের ভোটদানের হার।
  • নির্বাচনী সংস্কার বা এসআইআর মডেলকে এই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি বলছেন সিইসি।

ভারতের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে বিহার। ২০২৫ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের ভোটাররা নজিরবিহীন হারে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমার এই অভাবনীয় সাফল্যের কৃতিত্ব দিয়েছেন 'সিস্টেম্যাটিক ইন্টারভেনশন অ্যান্ড রিফর্মস' (এসআইআর) বা এসআইআর মডেলকে।

দ্য হিন্দু-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের এই নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির হার ভারতের স্বাধীনতার পরবর্তী সমস্ত নির্বাচনের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। নির্বাচন কমিশনার এই সাফল্যকে ভারতীয় গণতন্ত্রের পরিপক্কতার প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সংস্কার এবং মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন পদক্ষেপ ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে।

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, বিহারের এই ভোটার উপস্থিতির হার বিশ্বের অনেক উন্নত রাষ্ট্রের তুলনায় বেশি। জ্ঞানেশ কুমার পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন যে, ফ্রান্স, জাপান এবং স্পেনের মতো উন্নত গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে সাধারণত যে হার দেখা যায়, বিহারের ২০২৫ সালের নির্বাচন তাকেও অতিক্রম করেছে। এটি ভারতীয় নির্বাচনী ব্যবস্থার জন্য একটি বড় অর্জন।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে যে, ভোটারদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেওয়ার এই মানসিকতা প্রমাণ করে যে সাধারণ মানুষের মধ্যে গণতান্ত্রিক সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এসআইআর-এর মাধ্যমে ভোটদান প্রক্রিয়াকে সহজতর করা এবং প্রযুক্তির ব্যবহার এই রেকর্ড গড়ার পেছনে প্রধান শক্তি হিসেবে কাজ করেছে। ভবিষ্যতে অন্যান্য রাজ্যের নির্বাচনেও এই সফল মডেলটি অনুসরণের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।