নাগার্জুনসাগর শ্রীশৈলম টাইগার রিজার্ভে বাঘের মৃত্যু: উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ

অন্ধ্রপ্রদেশের নাগার্জুনসাগর শ্রীশৈলম টাইগার রিজার্ভে (NSTR) আরও একটি বাঘের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে রাজ্যের উপ-মুখ্যমন্ত্রী পবন কল্যাণ একটি স্বচ্ছ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
01 Aug 2026, 17:00
Updated
01 Aug 2026, 17:00
Reading time
2 min
নাগার্জুনসাগর শ্রীশৈলম টাইগার রিজার্ভে বাঘের মৃত্যু: উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ
বিজ্ঞান · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • নাগার্জুনসাগর শ্রীশৈলম টাইগার রিজার্ভে বাঘের মৃতদেহ উদ্ধার।
  • উপ-মুখ্যমন্ত্রী পবন কল্যাণ কর্তৃক স্বচ্ছ তদন্তের কড়া নির্দেশ।
  • মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে ময়নাতদন্তের ফলাফলের অপেক্ষায় প্রশাসন।

ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্যের নাগার্জুনসাগর শ্রীশৈলম টাইগার রিজার্ভে (NSTR) আবারও একটি পূর্ণবয়স্ক বাঘের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ভেতরে বাঘের এই আকস্মিক মৃত্যু বন্যপ্রাণী প্রেমী এবং বন কর্মকর্তাদের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে অন্ধ্রপ্রদেশের উপ-মুখ্যমন্ত্রী এবং বন ও পরিবেশ মন্ত্রী পবন কল্যাণ কঠোর পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে একটি পূর্ণাঙ্গ এবং স্বচ্ছ তদন্ত পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে যে, সাম্প্রতিক সময়ে এই নির্দিষ্ট সংরক্ষণাগারে বাঘের মৃত্যুর ঘটনা এটিই প্রথম নয়। ফলে চোরাশিকারিদের দৌরাত্ম্য নাকি প্রাকৃতিক কোনো কারণে বাঘটির মৃত্যু হয়েছে, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞ মহলে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।

উপ-মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে, তদন্তে কোনো প্রকার অবহেলা সহ্য করা হবে না। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর বাঘটির মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে বন রক্ষীরা ওই এলাকায় টহল জোরদার করেছেন।

এই ঘটনার পর এনএসটিআর-এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ভারতের বৃহত্তম এই ব্যাঘ্র সংরক্ষণাগারে বাঘের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিগত তদারকি বাড়ানো এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন পরিবেশবাদীরা।

তদন্তকারী দল বাঘের বিচরণক্ষেত্র পর্যবেক্ষণ করছেন এবং মৃতদেহের চারপাশের নমুনা সংগ্রহ করছেন। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, যদি কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।